নীলফামারীর ডোমার পৌরসভার সড়ক সংস্কার নিয়ে ধুম্রজাল- ফেসবুকে সমালচনার ঝড়
নীলফামারীর ডোমার পৌরসভার মুচির মোড় থেকে চিকনমাটি মোড় পর্যন্ত সড়ক সংস্কার নিয়ে ঠিকাদার ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। অপর দিকে সংস্কার কাজ যাদের নজর দারী করার কথা , কাজের সাথে তাদেরই জড়িত থাকার অভিযোগ উঠায় কাজের মান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সমালচনার ঝড় ও জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
জানাযায় ডোমার বাজার মুচির মোড় থেকে চিকনমাটি মোড় পর্যন্ত রাস্তার সংস্কার কাজ চলছে। উক্ত কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি বিষয় পৌর কর্তৃপক্ষ আড়াল করে কাজটি সম্পাদনের চেষ্টা করছে বলে এলাকাবাসী সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একাধিক ঠিকাদারের অভিযোগ।
শুধু তাই নয় এ অভিযোগ একাধিক গণমাধ্যম কর্মীদেরও। অপর দিকে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে কাজটি নিয়ে চলছে নানা কটুউক্তি। উক্ত কাজের তথ্য চেয়ে ডোমার পৌর সভার প্রকৌশলী জোবায়দুল হক এর সাথে তার মুঠোফেনে(০১৭১০৪৮৮৫৩৯) এ গত ৩০ শে নভেম্বর হতে গনমাধ্যম কর্মীরা একাধিক বার যোগাযোগ করার পর তিনি জানান,টেন্ডারটি ঢাকায় হয়েছে ঠিকাদারও ঢাকার ।
কাজটি কয়েকজন কাউন্সিলর করবে বলে শুনেছি। তবে কাজটি যে চলছে তা তিনি জানেন না, বলে জানান ।
কাজটি কত টাকার এবং ঠিকাদারের নাম সহ অন্যন্য বিষয় জানতে চাইলে তালবাহানা করে মুঠো ফোন বন্ধ করে দেন। এমনকি উক্ত কাজের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে ফরম পুরণ করে পৌরভবনে গেলেও সেখানকার অনিয়মিত অফিস সহকারী ফারুক, মেয়রের নির্দেশ ছাড়া কোন কাগজ গ্রহন করা সম্ভব নয় মর্মে সাফ জানিয়ে দেন।
প্যানেল মেয়র, এনায়েত হোসেন নয়ন জানান, টেন্ডার সংক্রান্ত সকল তথ্য মেয়র সাহেব দিতে পারবে। এবিষয়ে মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানুর মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডোমার পৌরসভার একাধিক কাউন্সিলর প্রতিবেদককে জানান, এই টেন্ডারের বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা অথচ শুনছি টেন্ডারটি গোপনে ডোমারে করা হয়েছে।
এবিষয়ে পৌরসভার ঠিকাদার অমিত কুমার দাস, রাসেদ মাহমু উজ্জল, শফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা এই পৌরসভার ঠিকাদার হয়েও ওই টেন্ডার ও রাস্তার সংস্কারের বিষয় কিছুই জানিনা। অথচ বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে কোন টেন্ডার হলে আমরা জানতে পারি।
তথ্য সংগ্রহ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমার নিকট গেলে তিনিও কোন তথ্য দিতে পারেননি। সংস্কার কাজটি বাইরে ঠিকাদারের নামে সুবিধা ভোগীরা কৌশলে বাগিয়ে নিয়েছে এমন কথা এখন সকলের মুখে মুখে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলমান থাকলেও টেন্ডার প্রক্রিয়াটি এখনো রহস্যময়!
