ডোমারে পরকিয়া প্রেম করতে গিয়ে দুই সন্তানের জনক-জননী এলাকাবাসীর হাতে আটক
নীলফামারীর ডোমারে পরকিয়া প্রেম করতে গিয়ে দুই সন্তানের জনক-জননীকে আটক করেছে এলাকাবাসী।
ঘটনাটী ঘটেছে,ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মটুকপুর কৃষি কলেজ পাড়া গ্রামে। ওই গ্রামের লাভলু রহমানের স্ত্রী মর্জিনা বেগমের সাথে পাঙ্গা কোম্পানীর স্কুল গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে মনজুরুল ইসলামের পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই সুত্র ধরে বৃহস্পতিবার(৬ অক্টোবর)রাতে মনজুরুল মর্জিনা বেগমের বাড়ীতে আসে এবং রাত যাপন করে। ভোর রাতে মনজুরুল বাড়ী থেকে বের হলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে। মর্জিনা বেগমের স্বামী লাভলু রহমান ঢাকায় রিস্কা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে এবং ঢাকায় অবস্থান করছে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানায়, লাভলু ঢাকা থেকে আসলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। বর্তমানে দুজনেই লাভলু রহমানের বাড়ীতে আটক রয়েছে। তারা দুজনেই দু সন্তানের জনক এবং জননী। ঘটনাটী এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটী ঘটার পর থেকেই সেখানে শত শত মহিলা/পুরুষ তাদের দেখার জন্য ভীড় জমায়।
ঘটনাটী ঘটেছে,ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মটুকপুর কৃষি কলেজ পাড়া গ্রামে। ওই গ্রামের লাভলু রহমানের স্ত্রী মর্জিনা বেগমের সাথে পাঙ্গা কোম্পানীর স্কুল গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে মনজুরুল ইসলামের পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই সুত্র ধরে বৃহস্পতিবার(৬ অক্টোবর)রাতে মনজুরুল মর্জিনা বেগমের বাড়ীতে আসে এবং রাত যাপন করে। ভোর রাতে মনজুরুল বাড়ী থেকে বের হলে এলাকার লোকজন তাকে আটক করে। মর্জিনা বেগমের স্বামী লাভলু রহমান ঢাকায় রিস্কা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে এবং ঢাকায় অবস্থান করছে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানায়, লাভলু ঢাকা থেকে আসলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। বর্তমানে দুজনেই লাভলু রহমানের বাড়ীতে আটক রয়েছে। তারা দুজনেই দু সন্তানের জনক এবং জননী। ঘটনাটী এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটী ঘটার পর থেকেই সেখানে শত শত মহিলা/পুরুষ তাদের দেখার জন্য ভীড় জমায়।
