ডোমারে গৃহকর্তাকে স্বাসরোধ করে হত্যা করে মালামাল লুটের ঘটনায় মৃৃত অতুল চন্দ্রের নাতীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। - BD News Online

বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ডোমারে গৃহকর্তাকে স্বাসরোধ করে হত্যা করে মালামাল লুটের ঘটনায় মৃৃত অতুল চন্দ্রের নাতীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

 ডোমারে গৃহকর্তা অতুল চন্দ্র রায়কে স্বাসরোধ করে হত্যা করে মালামাল লুটের ঘটনায় মৃত অতুল চন্দ্রের নাতীসহ তিনজনকে আটক করেছে ডোমার থানা পুলিশ।


সোমবার রাতে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ী থেকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া ২৫হাজার ৫শত টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন নয়ানী বাকডোকরা গ্রামের নিহত অতুল চন্দ্রের জামাতা প্রেমানন্দ রায়ের ছেলে সুমন চন্দ্র রায়,সকাল চন্দ্র রায়ের ছেলে প্রকাশ চন্দ্র রায় ও কাউয়াতলী গ্রামের রফিকুল ইসলাম কবিরাজের ছেলে নিশান। তারা তিনজনই সমবয়সী এবং ডোমার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র।
উল্লেখ্য, গত ৭সেপ্টেম্বর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাকডোকরা গ্রামে গৃহকর্তা অতুল চন্দ্র রায়(৬৫)কে স্বাসরোধে হত্যা করে নগদ অর্থসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় বাড়িতে অতুল চন্দ্র একাই ছিল। নিহত অতুল চন্দ্রের ছেলে বিপুল চন্দ্র রায় দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকার কারনে অতুল চন্দ্র, স্ত্রী দেবমায়া রানী ও পুত্রবধু ববিতা রানীকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। ঘটনার কয়েক দিন আগে অতুলের পুত্রবধু ববিতা রানী তার বাবার বাড়ীতে বেড়াতে যান। ওইদিন অতুলের স্ত্রী দেবমায়া রানী তার পুত্রবধুকে আনতে পাশর্^বর্তী ডিমলা উপজেলার ডালিয়া গ্রামে যায়। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে অতুলের হাত,পাঁ বেধে মুখে কচটেপ পেঁচিয়ে ঘড়ের বারান্দায় ফেলে রেখে নগদ অর্থসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পরে অতুল চন্দ্র রায়ের নাতী সুমন চন্দ্র রায় এলাকাবাসীর সহায়তায় অতুল চন্দ্র রায়কে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অতুল চন্দ্র রায় ওই গ্রামের বিষ্ট রাম মোহনের ছেলে। এ ঘটনায় অতুলের স্ত্রী দেবমায়া বাদী হয়ে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দ্বায়ের করেন। ডোমার থানার পরিদর্শক(তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল জানান, আটককৃতদের মঙ্গলবার নীলফামারী জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।