প্রথম কাজ হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা,শিক্ষার মান-উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে এ এলাকার বেকারত্ব দুর করা। - BD News Online

বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

প্রথম কাজ হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা,শিক্ষার মান-উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে এ এলাকার বেকারত্ব দুর করা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ আসন(ডোমার-ডিমলা) থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক রাষ্ট্রদূত আমিনুল হোসেন সরকার একান্ত সাক্ষাতকারে জানান,আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেলে নির্বাচিত হয়ে আমার প্রথম কাজ হবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন,শিক্ষার মান-উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে এ এলাকার বেকারত্ব দুর করা।
সোমবার (৪সেপ্টেম্বর-২০১৭)সকালে ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামে তার নিজ বাসভবনে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন,একটি এলাকাকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে হলে এর প্রধান শর্ত হচ্ছে^ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মান হওয়ার কারনে গোটা উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।নীলফামারী জেলায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ইপিজেট শিল্প প্রতিষ্ঠান।যেখানে জেলার হাজার হাজার বেকার যুবক,যুবতীর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এরপর এই এলাকায় শিক্ষার মান-উন্নয়নে কাজ করতে হবে যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি। এই এলাকায় শিল্প-প্রতিষ্ঠান তৈরী করে বেকার সমস্যার সমাধান করতে পারি।তাহলেই আগামীতে আমরা সুন্দর একটি ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারবো।  ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় রেইনবো কেজি স্কুল,পূর্ব হলহলিয়া নিন্ম-মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,হলহলিয়া উচ্চ মাধ্যমিক আদর্শ বিদ্যা নিকেতন ও মির্জাগঞ্জ মহাবিদ্যালয়সহ বিভিন্ন মাদ্রাসা,মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।
আমিনুল হোসেন সরকার ১৯৪৭ সালের ৩১ আগষ্ট ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।তিনি ১৯৭০সালে মাষ্টার্স পাশ করেন।১৯৭১সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেন।তিনি ১৯৭৩সালে ফরেন সার্ভিসের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।১৯৭৬সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের তৃতীয় সচিব নিযুক্ত হন।পরে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বদলী হয়ে পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৫সাল থেকে ১৯৯২সাল পর্যন্ত তিনি কাঠমন্ডু ও কায়রোতে প্রথম সচিব ও কাউন্সেলর হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সেখান থেকে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মহাপরিচালক পদে পদন্নতি লাভ করেন।১৯৯৬সালে দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল হিসাবে যোগ দেন।এবং ২০০০সালের জুনে কুয়েতে তিনি রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। সর্বশেষ ২০০৫সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অবসরে যান। অবসর গ্রহনের পরথেকে তিনি এলাকায় জনসংযোগের পাশাপাশি দলীয় এবং সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৯ এবং ২০১৪সালে তিনি নীলফামারী-১আসন হতে মনোনয়ন প্রার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামীলীগের নীলফামারী জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও ঢাকাস্থ নীলফামারী জেলা সমিতির সভাপতি এবং ঢাকাস্থ উত্তরবঙ্গ কল্যান সমিতির উপদেষ্টা।
ব্যাক্তিগত জীবনে তারা তিন ভাই ও দুই বোন। এর মধ্যে চার জনই এম এ পাশ। বর্তমানে সবাই চাকুরী জীবন শেষ করে অবসরে। তার দু মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে ফাহমিদা আমিন সরকার স্বামী সংসার নিয়ে লন্ডনে থাকেন।অপর মেয়ে সাবরিনা আমিন সরকার তিনিও স্বপরিবারে কানাডায় থাকেন।স্ত্রী মনোয়ারা আমিন সরকার একজন সফল গৃহিনী।