ইন্দোনেশিয়ার পর্যটনস্থল ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে মাউন্ট আগুং, বালি ছাড়ার নির্দেশ
![]() |
| বালি দ্বীপে বিপদ সংকেত |
এ ব্যাপারে ইন্দোনেশিয়ার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানাচ্ছে, এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ পর্যায়ের উদগীরণ ঘটাচ্ছে মাউন্ট আগুং। যেকোনো সময় আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটতে পারে।
জানা গেছে, আশপাশের এলাকায় এরই মধ্যে ছাই ও ধুলোবালি ছড়িয়ে পড়েছে। বালির নগুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র এরি এহসান বলেন, ২২৪টি পয়েন্ট থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এজন্য লমবক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আশপাশের এলাকায় এরই মধ্যে ছাই ও ধুলোবালি ছড়িয়ে পড়েছে। বালির নগুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র এরি এহসান বলেন, ২২৪টি পয়েন্ট থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এজন্য লমবক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
নগুরাহ রাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল করায় আনুমানিক ৭ হাজারের মতো দেশি ও আর্ন্তজাতিক যাত্রী বিপাকে পড়েছেন।
স্থানীয়দের জন্য কর্তৃপক্ষ মাস্ক বিতরণ করছে। কর্মকর্তা এবং আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, মাউন্ট আগুঙ্গের চূড়া কাছাকাছি ম্যাগমার অস্তিত্ব ধরা পড়েছে।
এই আগ্নেয়গিরি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে বলে আগেই সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কয়েক লক্ষ্য মানুষকে সরে আসতে বলা হয়েছে। কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে বলে আশা করা যায়নি।
প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো শনিবার সন্ধ্যায় সক্রিয় হয়ে ওঠে পর্যটনকেন্দ্র বালির নিকটবর্তী আগ্নেয়গিরিটি।
উল্লেখ্য, প্রায় অর্ধশতক পর গত সেপ্টেম্বরে প্রথমবার সক্রিয় হয় মাউন্ট আগুং। সে সময় আশ্রয়হীন হয় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। এর আগে ১৯৬৩ সালে মাউন্ট আগুংয়ের ভয়াবহ উদগিরণে প্রাণ যায় ১১শ’ মানুষের।
