রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেনের নিচে ফেলে এক নারীকে হত্যা
রাজশাহীতে মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ার জেরে মাবিয়া নামে এক নারীকে মারধরের পর চলন্ত ট্রেনের নিচে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।
শুক্রবার বিকেলে শহরের দাশপুকুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাবিয়াকে মারধর করে জরিনা ও তার মেয়ে নাজমা। একপর্যায়ে রাজশাহী থেকে রহনপুরগামী চলন্ত ট্রেনের নিচে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন মাবিয়া। স্বজনদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় বেশকিছু দিন ধরে মাবিয়াকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলো জরিনা।
একজন এলাকাবাসী বলেন, 'অলরেডি তারা পাঁচজন ছিল। আগে থেকেই তাদের ঝগড়া ছিল। জরিনা বিখ্যাত ব্যবসায়ী, তাকে সকালে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে বিকেলে ছেড়ে দেয়।'
দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, 'তাদের মধ্যে একটা কোন্দল ছিল, কোন্দলটা কি তা এখনো তদন্ত করে পাওয়া যায় নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক নিয়েই এই ঝগড়ার সূত্রপাত।
এরই জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর অভিযুক্ত জরিনা ও তার মেয়ে নাজমা পলাতক রয়েছে। এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্ত জরিনার বাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
শুক্রবার বিকেলে শহরের দাশপুকুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাবিয়াকে মারধর করে জরিনা ও তার মেয়ে নাজমা। একপর্যায়ে রাজশাহী থেকে রহনপুরগামী চলন্ত ট্রেনের নিচে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন মাবিয়া। স্বজনদের অভিযোগ, মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় বেশকিছু দিন ধরে মাবিয়াকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলো জরিনা।
একজন এলাকাবাসী বলেন, 'অলরেডি তারা পাঁচজন ছিল। আগে থেকেই তাদের ঝগড়া ছিল। জরিনা বিখ্যাত ব্যবসায়ী, তাকে সকালে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে বিকেলে ছেড়ে দেয়।'
দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, 'তাদের মধ্যে একটা কোন্দল ছিল, কোন্দলটা কি তা এখনো তদন্ত করে পাওয়া যায় নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক নিয়েই এই ঝগড়ার সূত্রপাত।
এরই জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর অভিযুক্ত জরিনা ও তার মেয়ে নাজমা পলাতক রয়েছে। এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্ত জরিনার বাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
