বাড়িকে কেই নেই, সুযোগে কিশোরীকে ধর্ষণ ভাড়াটিয়ার
ভাড়াটিয়া কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাড়ির মালিককে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থানার শান্তিপুর গ্রামে৷ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাড়ির মালিক শেখ মিঠু আলিকে গ্রেফতার করেছে৷ অন্যদিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নির্যাতিতা নাবালিকাকে পাঠানো হয়েছে তমলুক জেলা হাসপাতালে৷পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠু আলির বাড়িতে ভাড়া থাকেন ওই নির্যাতিতার পরিবার৷ নির্যাতিতার মা পেশায় ফল ব্যবসায়ী৷ বাবা প্রতিবন্ধী৷ তাঁর দুটি পা নেই৷ পুলিশকে লিখিত অভিযোগে নির্যাতিতা জানিয়েছে, সোমবার মা, বাবা দু’জনেই কাজে গিয়েছিলেন৷ তখন মিঠু আলি তাদের ঘরে ঢুকে তাকে জোর করে ধর্ষণ করে৷ এমনকি ঘটনাটি কাউকে জানালে ছাদ থেকে ফেলে মেরে দেওয়ারও হুমকি দেয় অভিযুক্ত৷
মঙ্গলবার সন্ধেয় অভিযুক্ত ফের ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ৷ কিশোরীর চিৎকারে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসেন৷ সে সমস্ত ঘটনা জানায়৷ এরপরই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে৷ ঘটনার জেরে এলাকায় ছাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এর আগেও মিঠু আলির বিরুদ্ধে নারী হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে৷ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার নামে তিনি কুকর্মের চেষ্টা এর আগেও করেছেন৷ কিন্তু প্রতিবারই মোটা অঙ্কের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি রেহাই পেয়ে গিয়েছেন৷
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এর আগেও মিঠু আলির বিরুদ্ধে নারী হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে৷ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার নামে তিনি কুকর্মের চেষ্টা এর আগেও করেছেন৷ কিন্তু প্রতিবারই মোটা অঙ্কের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি রেহাই পেয়ে গিয়েছেন৷
