চলন্ত ট্রেন থেকে চার মেয়েকে ছুঁড়ে ফেলার ঘটনা বাড়ছে রহস্য - BD News Online

শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৭

চলন্ত ট্রেন থেকে চার মেয়েকে ছুঁড়ে ফেলার ঘটনা বাড়ছে রহস্য

চলন্ত ট্রেন থেকে চার মেয়েকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় ক্রমশই বাড়ছে রহস্য৷ উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরের কাছে এই ভয়াবহ ঘটনায় রীতিমতো ধন্দে পুলিশ৷ মিলছে দুটি ভিন্ন বয়ান৷ তবে কোনওক্রমে বেঁচে যাওয়া নয় বছরের শিশুকন্যার বয়ানকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷

দিন চারেক আগের ঘটনা৷ যোগীর রাজ্যে সীতাপুরের কাছে রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার হয় একের পর এক দেহ৷ প্রথমে বছর ৩৬-এর মায়ের গুরুতর জখম দেহ। তারপর আরও কয়েক কিলোমিটার পরে আরও এক শিশুকন্যার মৃতদেহ৷ খানিক দূরের ব্যবধানে রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছে আরও তিন শিশুকন্যা। পাঁচ জনকেই চলন্ত ট্রেন থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তির যায় মহিলার স্বামীর দিকে৷
রেল পুলিশ জানায়, সোমবার মাঝ রাতে যখন ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে ছুটছে অমৃতসর-সহরসা এক্সপ্রেস, তখনই এই ঘটনাটি ঘটে। বুধবার সকালে রেল লাইনের ধারে কয়েক কিলোমিটারের দূরত্বে একের পর এক উদ্ধার হয় দেহগুলো। নিহত মহিলার নাম আফরিনা খাতুন।
ন্নভিন্ন দেহ মেলে লখিম খেরি জেলার মাইলগঞ্জের কাছে রেল লাইনে। কিন্তু জ্ঞান ফেরার পর অন্য বয়ান দেয় বেঁচে যাওয়া শিশু আলগুন৷ তার দাবি বাবা ইদ্দু মিঞা নয়, এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার কাকা ও কাকার বন্ধু৷ অমৃতসর থেকে বিহারের মতিহারি যাচ্ছিল তারা৷ সেখানেই তাদের বাড়ি। খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয় শিশুদের কাকা ইকবাল ও তার বন্ধু ইজহারের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই মতিহারি রওনা হয়েছে পুলিশ।
আলগুনের সাথেই উদ্ধার করা হয় চার বছরের সামিনা ও রবিনাকে৷ সামিনা, আলগুন ও রবিনাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। পুলিশের ধারণা, প্রথমে মা-কে ঠেলে ফেলা হয়। সীতাপুর পেরতেই বাকি শিশুকন্যাদের একের পর এক চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হয়। তিন শিশুকন্যার যা শারীরিক অবস্থা, তাতে আলগুন ছাড়া বাকিদের কথা বলার সামর্থ্য নেই। তাই আলগুনের বয়ান থেকেই ঘটনার কিনারা হবে বলে মনে করছে পুলিশ।