ডোমার চিকনমাটি দোলাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র ১ জন শিক্ষক, লেখাপড়া ব্যাহত
নীলফামারীর ডোমারে চিকনমাটী দোলাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ৫জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়টি।
বুধবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেমন্ত কুমার রায় গেছেন উপজেলার উপ-বৃত্তির মিটিংয়ে। একমাত্র শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিছ একাই ক্লাশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকসহ আমরা ৫জন শিক্ষক রয়েছি।এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক গেছেন মিটিংয়ে,দুজন শিক্ষক উম্মে ছুন্না ও শরিফুল ইসলাম রয়েছেন ছুটিতে এবং অপর শিক্ষক মাশরুফা বেগম রয়েছেন পিটিআই ট্রেনিংয়ে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা জানান সারাদিনে মাত্র একটি ক্লাশ হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিছ জানান, কি করবো বলুন অন্যান্য শিক্ষকরা না থাকায় আমাকেই সব ক্লাশ নিতে হচ্ছে। তাই প্রতিটি ক্লাশে একটি করে ক্লাশ নিয়েছি। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম। প্রধান শিক্ষক হেমন্ত কুমার রায় জানান,আমি উপজেলায় উপ-বৃত্তির মিটিংয়ে আছি। এ ছাড়াও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বদলী হয়ে যাওয়ায় সে ব্যাপারে মিটিং করছি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকতারুজ্জামান আজাবুল জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাশ করেন না। তাই দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। আমি বার বার বলার পরও তারা কোন কর্নপাত করছে না। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসেই অনত্র চলে যান। তাই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ক্লাষ্টারের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস ছামাদ জানান, প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে পেরে আমি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে জানতে পারি এক শিক্ষক গত ১৭/১০/২০১৭ইং তারিখ থেকে অনুপস্থিত রয়েছে। ওই শিক্ষককে অনুপস্থিত দেখিয়েছি। একজন রয়েছেন নৈমত্তিক ছুটিতে এবং আরেক শিক্ষক রয়েছে পিটিআই ট্রেনিংয়ে। তিনি বলেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বুধবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেমন্ত কুমার রায় গেছেন উপজেলার উপ-বৃত্তির মিটিংয়ে। একমাত্র শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিছ একাই ক্লাশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকসহ আমরা ৫জন শিক্ষক রয়েছি।এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক গেছেন মিটিংয়ে,দুজন শিক্ষক উম্মে ছুন্না ও শরিফুল ইসলাম রয়েছেন ছুটিতে এবং অপর শিক্ষক মাশরুফা বেগম রয়েছেন পিটিআই ট্রেনিংয়ে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা জানান সারাদিনে মাত্র একটি ক্লাশ হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিছ জানান, কি করবো বলুন অন্যান্য শিক্ষকরা না থাকায় আমাকেই সব ক্লাশ নিতে হচ্ছে। তাই প্রতিটি ক্লাশে একটি করে ক্লাশ নিয়েছি। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কম। প্রধান শিক্ষক হেমন্ত কুমার রায় জানান,আমি উপজেলায় উপ-বৃত্তির মিটিংয়ে আছি। এ ছাড়াও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বদলী হয়ে যাওয়ায় সে ব্যাপারে মিটিং করছি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকতারুজ্জামান আজাবুল জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাশ করেন না। তাই দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। আমি বার বার বলার পরও তারা কোন কর্নপাত করছে না। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এসেই অনত্র চলে যান। তাই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ক্লাষ্টারের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস ছামাদ জানান, প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে পেরে আমি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে জানতে পারি এক শিক্ষক গত ১৭/১০/২০১৭ইং তারিখ থেকে অনুপস্থিত রয়েছে। ওই শিক্ষককে অনুপস্থিত দেখিয়েছি। একজন রয়েছেন নৈমত্তিক ছুটিতে এবং আরেক শিক্ষক রয়েছে পিটিআই ট্রেনিংয়ে। তিনি বলেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
