পেটে সোনার বিস্কুট, আটক শ্রীলঙ্কান
রবিবার সকালে বিশাখাপত্তনম বিমানবন্দরে শ্রীলঙ্কান এয়ারওয়েজের বিমানে নেমেছিলেন তিনি। সঙ্গে কোনও মালপত্র ছিল না। সেকারনেই বিমানবন্দরের গ্রিন করিডর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিক। কিন্তু তাঁর হাঁটা দেখেই সন্দেহ হয় নিরাপত্তাকর্মীদের। জেরা করতেই বেরিয়ে পড়ে সত্যিটা। নিরাপত্তারক্ষীদের তিনি জানান তাঁর অন্ত্রে সন্তর্পনে প্লাস্টিকের প্যাকেটে মুড়ে রাখা রয়েছে ১৪টি সোনার বিস্কুট। যাতে বিস্কুটগুলি হজম না হয়ে যায় সেজন্যই প্লাস্টিকে মুড়ে রাখা হয়েছিল। প্রত্যেকটির ওজন ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম।
প্রথমে নিরাপত্তাকর্মীরা ভেবেছিলেন মাদক বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিক। পরে নিজেই জেরায় স্বীকার করেন মাদক নয় সোনার বিস্কুট রয়েছে তাঁর পেটে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বিশাখাপত্তনম কিং জর্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক্সরে করে দেখা যায় শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিকের অন্ত্রে ১৪টি সোনার বিস্কুট প্লাস্টিকে মুড়ে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা কিন্তু অস্ত্রোপচার না করেই ওষুধ মারফৎ সেই সোনার বিস্কুট গুলি বের করেছেন। প্রথম দিন সাতটি ও পরের দিন আরও সাতটি সোনার বিস্কুট বের করা হয়েছে। এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ওই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। তাঁকে কাস্টমসের আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রথমে নিরাপত্তাকর্মীরা ভেবেছিলেন মাদক বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিক। পরে নিজেই জেরায় স্বীকার করেন মাদক নয় সোনার বিস্কুট রয়েছে তাঁর পেটে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বিশাখাপত্তনম কিং জর্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক্সরে করে দেখা যায় শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিকের অন্ত্রে ১৪টি সোনার বিস্কুট প্লাস্টিকে মুড়ে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা কিন্তু অস্ত্রোপচার না করেই ওষুধ মারফৎ সেই সোনার বিস্কুট গুলি বের করেছেন। প্রথম দিন সাতটি ও পরের দিন আরও সাতটি সোনার বিস্কুট বের করা হয়েছে। এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ওই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। তাঁকে কাস্টমসের আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
