বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য কক্সবাজার যাওয়ার মাঝপথে
বিকেলে ফেনীতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভাঙচুর করা হয়, বেশ কয়েকটি গাড়ি। যার মধ্যে চারটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের গাড়িও রয়েছে। এ সময় এক সংবাদকর্মীসহ আহত হন ২০ জন। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে বাধা দিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। এর আগে সকালে সফর নির্বিঘ্ন করতে সরকারের সহযোগিতা চান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল ১০টার পর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে সড়ক পথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। উদ্দেশ্য রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ। তার এ বহরে রয়েছেন দলের সিনিয়র নেতারাও। যাত্রা শুরুর আগে এ সফরকে নির্বিঘ্ন করতে সরকারের সহযোগিতা চান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
যাত্রাপথে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুপাশে ভিড় করেন নেতাকর্মীরা। এতে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। ফলে বেগম জিয়ার গাড়ি বহর ঢাকা থেকে কাঁচপুর আসতেই লাগে তিন ঘণ্টার বেশি। খালেদা জিয়ার এই সফর নিয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নেয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। বিএনপির অভিযোগ, যাত্রাপথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে ক্ষমতাসীনরা। বিকেল ৫ টার কিছু আগে বেগম জিয়া যাত্রা বিরতিতে ফেনীতে যাওয়ার পথে, গণমাধ্যমের গাড়ি ভাংচুর করে দুষ্কৃতিকারীরা। এ সময় বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের সংবাদকর্মীকে মারধর ও ক্যামেরা ভাংচুরের মত ঘটনাও ঘটে। পাঁচটার পর বেমগ জিয়া ফেনী সার্কিট হাউসে যাত্রা বিরতি করেন। ঘণ্টাখানেক সেখানে বিশ্রাম শেষে, তার গাড়ী বহর আবারো রওনা হয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাত কাটিয়ে আগামীকাল রওনা দেবেন কক্সবাজারের উদ্দেশে।
