সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পিচ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন -ডোমারে আ ক ম মোজাম্মেল হক। - BD News Online

শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পিচ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন -ডোমারে আ ক ম মোজাম্মেল হক।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমাদের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পিচ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তাই তিনি বঙ্গবন্ধুকে একক নেতা মানতে রাজি নন। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার কাছে জবাব চাইতে হবে আর কোন নেতা ছিল? তিনি প্রধান বিচারপতির দূর্নীতিসহ বিভিন্ন সমালোচনা করে দেশে এনে তার বিচার দাবী করেন।
তিনি আজ শনিবার দুপুরে জেলার ডোমার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী জুলাই মাস থেকে প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বাড়ানো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পর সৎকারের জন্য ১০হাজার টাকা নগদ দেয়া হবে। মন্ত্রী আরো বলেন,আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সব সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বোভৌমত্তে বিশ্বাস করে। আর বিএনপি ও তার নেত্রী স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা পাকিস্থানের পোষা তোতা পাখি। পাকিস্থান যেভাবে বিবৃত্তি দেয় খালেদা জিয়াও সেভাবে কথা বলে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধান বিচারপতি সিনহা পিচ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তাই তিনি বঙ্গবন্ধুকে একক নেতা মানতে নারাজ। মন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার কাছে জবাব চাইতে হবে আর কোন নেতা ছিল? তিনি প্রধান বিচারপতির দূর্নিতিসহ বিভিন্ন সমালোচনা করে দেশে এনে তার বিচার দাবী করেন। ডোমার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন,নীলফামারী-১(ডোমার ও ডিমলা)আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক ফজলুর রহমার, ডোমার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আলম বাবুল, সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক সরকার ফারহানা আক্তার সুমি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নুরননবী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের জেলা কমান্ডার হাফিজুর রশিদ মন্জু,সাবেক উপজেলা কমান্ডার আব্দুল জব্বার প্রমূখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার জাকীর হোসেন খান,সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার সার্কেল) জিয়াউর রহমান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন,ডোমার পৌর মেয়র মনছুরুল ইসলাম দানু,ডোমার থানার ওসি মোকছেদ আলী,মুক্তিযোদ্ধা পৌর কমান্ডার ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।
প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে এলজিইডি’র বাস্তবায়নে দুই কোটি ২২ লক্ষ ৯৯ হাজার ছয় শত টাকা ব্যায়ে ডোমার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়। এরপর তিনি পার্শবর্তী জলঢাকা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করেন।